সোলার
দুই মিনিটে সোলার বুঝুন
দেখুন বিদ্যুৎ কীভাবে প্রবাহিত হয়, কোন সিস্টেম আপনার ভবনের উপযোগী, আর সরকারি নিয়ম আপনার জন্য কী বলে।
সোলার কীভাবে কাজ করে
বিদ্যুতের পথ ধরে চলুন
পাঁচটি ধাপ স্ক্রল করুন। যে অংশ কাজ করছে, ডায়াগ্রামে সেটি জ্বলে উঠবে।
১
সূর্যের আলো প্যানেলে পড়ে
সোলার সেল সূর্যের আলোকে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বিদ্যুতে রূপ দেয়। যত রোদ, তত বিদ্যুৎ।
২
ইনভার্টার রূপান্তর করে
আপনার ভবন অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) ব্যবহার করে। ইনভার্টার DC-কে AC করে এবং পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে।
৩
আগে আপনার ভবন ব্যবহার করে
ফ্যান, লাইট, পাম্প ও মেশিন আগে সোলার বিদ্যুতে চলে, তাই গ্রিড থেকে কম কিনতে হয়।
৪
বাড়তি বিদ্যুৎ জমা বা বিক্রি হয়
বাড়তি বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা হয় (হাইব্রিড, অফ-গ্রিড), অথবা গ্রিডে গিয়ে ক্রেডিট আনে (অন-গ্রিড, হাইব্রিড)।
৫
রাতে বা মেঘলা দিনে
ব্যাটারি ও গ্রিড নিজে থেকেই ঘাটতি পূরণ করে। কিছুই চালু-বন্ধ করতে হয় না।
সিস্টেমের ধরন
আপনার জন্য কোন সিস্টেম?
পার্থক্য সহজ: ব্যাটারি আছে কি না, আর গ্রিডের সাথে যুক্ত কি না।
অন-গ্রিড
গ্রিডে যুক্ত, ব্যাটারি নেই। প্রতি ইউনিটে খরচ সবচেয়ে কম; নেট মিটারিংয়ে আয় সম্ভব। নিরাপত্তার জন্য লোডশেডিংয়ে বন্ধ থাকে।
হাইব্রিড
গ্রিড ও ব্যাটারি দুটোই। দিনে বিল কমায়, লোডশেডিংয়ে জরুরি লোড চালু রাখে।
অফ-গ্রিড
শুধু প্যানেল ও ব্যাটারি। পুরোপুরি স্বাধীন; ব্যাটারির আকারে ঠিক হয় কতক্ষণ চলবে।
সুবিধা
মানুষ কেন সোলারে যাচ্ছে
বিদ্যুৎ বিল কমে
দিনের বিদ্যুৎ আসে আপনার নিজের ছাদ থেকে।
লোডশেডিংয়ে বিদ্যুৎ
ব্যাটারি থাকলে জরুরি লোড চালু থাকে।
বাড়তি বিদ্যুতে আয়
গ্রিডে দেওয়া বিদ্যুতের জন্য নেট মিটারিংয়ে টাকা পান।
দীর্ঘ আয়ু
প্যানেল দশকের পর দশক চলার মতো তৈরি; ওয়ারেন্টির বছর প্রতিটি প্যাকেজে দেখানো হয়।
জেনারেটর কম চলে
ডিজেল খরচ, শব্দ ও ধোঁয়া কমে।
পরিষ্কার শক্তি
সূর্য থেকে প্রতিটি ইউনিট মানে একটি ইউনিট কম জ্বালানি পোড়ানো।
সরকারি সহায়তা
নিয়ম আপনার পক্ষে
বাংলাদেশ সরকার রুফটপ সোলারকে জোরালোভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। সরকারি নিয়মগুলো সহজ ভাষায়:
নিয়ম যাচাইয়ের তারিখ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- ২০২৫
নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০২৫
- অনুমোদিত লোডের ১০০% পর্যন্ত সোলার (আগে ছিল ৭০%)
- সিঙ্গেল-ফেজ গ্রাহকরাও যুক্ত হতে পারবেন
- প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটার গ্রহণযোগ্য
- গ্রিডে দেওয়া বিদ্যুতের টাকা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে
- অনলাইনে আবেদন
- ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিদ্যুৎ বিভাগের পরিপত্র
- ১০ কিলোওয়াট বা তার বেশি লোডের অনেক নতুন বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগে রুফটপ সোলার বাধ্যতামূলক
- ১০ কিলোওয়াটের কম আবাসিক গ্রাহকরা ইচ্ছা করলে যুক্ত হতে পারেন
- ২০২৬
জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি
- সারা দেশে রুফটপ সোলার বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা
প্রতিটি আবেদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার। আমরা প্রক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করি; অনুমোদনের নিশ্চয়তা দিই না।
যা পাবেন
শুধু প্যানেল নয়, পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম
প্রতিটি ইনস্টলেশন একটি পূর্ণ সিস্টেম হিসেবে ডিজাইন, তৈরি ও পরীক্ষা করা হয় — নিরাপত্তার সব অংশসহ, যাতে বহু বছর চলে।
- সাইট সার্ভে: ছাদ, ছায়া ও ওয়্যারিং যাচাই
- আপনার ব্যবহার অনুযায়ী সিস্টেম ডিজাইন
- সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার
- আপনার ছাদের উপযোগী মাউন্টিং স্ট্রাকচার
- ব্রেকারসহ DC ও AC ওয়্যারিং
- আর্থিং ও সার্জ প্রটেকশন
- ইনস্টলেশন, পরীক্ষা ও হস্তান্তর
- বিক্রয়-পরবর্তী সহায়তা
প্রশ্ন
সাধারণ প্রশ্ন
অন-গ্রিড, হাইব্রিড ও অফ-গ্রিডের পার্থক্য কী?
লোডশেডিংয়ে সোলার চলবে?
কতটুকু ছাদ লাগবে?
বাড়তি বিদ্যুৎ কি গ্রিডে বিক্রি করা যায়?
সোলার সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ কেমন?
সাবস্টেশন বা প্যানেলের কাজও লাগবে?
একই প্রকৌশলীরা বিতরণ সংস্থা, শিল্প ও ভবনের জন্য সাবস্টেশন, HT/LT প্যানেল ও ওয়্যারিংয়ের কাজ করেন।
সোলার বা ইলেকট্রিক্যাল কাজের পরিকল্পনা করছেন?
দুই মিনিটে সোলারের হিসাব দেখুন, অথবা আজই আপনার প্রকল্প নিয়ে একজন প্রকৌশলীর সাথে কথা বলুন।
